বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ফটিকছড়িতে সরকারি সহায়তায় বদলে যাচ্ছে অসহায় মানুষের জীবন, হুইল চেয়ার পেয়ে আবেগাপ্লুত মা। ফটিকছড়ির কাজীরহাটে জ্বালানি ও গোলকাঠসহ চাঁন্দের গাড়ি জব্দ, বন আইনে দুই মামলা। শিক্ষার উন্নয়নে সারা দেশে স্কুল-কলেজের ভবন নির্মাণ করবে সরকার : ফটিকছড়িতে সাংসদ সরোয়ার আলমগীর। ফটিকছিড়িতে পাহাড়ে খড়ের গাদার পাশ থেকে ২টি বন্দুক উদ্ধার ফটিকছড়িতে দুর্গোৎসব ঘিরে প্রস্তুতি, মহালয়ার অনুষ্ঠানে সম্প্রীতির আহ্বান ফোনে এক মাসের সম্পর্ক, বাড়ি ছাড়ার ১৫ দিনের মাথায় কিশোরীর মৃত্যু অচিরেই ফটিকছড়িকে মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত ঘোষণা করা হবে: সাংসদ সরোয়ার আলমগীর অনলাইনে তথ্যহীন ফটিকছড়ি থানা, নেই নিয়মিত কার্যক্রমের খবর। অপরাধ দমনে সাফল্য, চট্টগ্রাম জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি ফটিকছড়ির রবিউল আলম খান মরুর ফলন ফটিকছড়ির মাটিতে, সাম্মাম চাষে বাজিমাত দুই উদ্যোক্তার
নোটিশ:
সম্মানিত ভিজিটর আমাদের ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম...

মরুর ফলন ফটিকছড়ির মাটিতে, সাম্মাম চাষে বাজিমাত দুই উদ্যোক্তার

রিপোটারের নাম
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

মরুর ফলন ফটিকছড়ির মাটিতে, সাম্মাম চাষে বাজিমাত দুই উদ্যোক্তার

ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
মরুভূমির ফল হিসেবে পরিচিত সাম্মাম চাষে সাফল্য পেয়েছেন চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির দুই উদ্যোক্তা রোকন উদ্দিন কাসেমি ও মামুন।
প্রচলিত ফসলের বাইরে গিয়ে প্রথমবারের মতো তিন হেক্টর জমিতে এই বিদেশি ফলের চাষ করেছেন তারা।
সরেজমিনে ঘুরে উদ্যোক্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নতুন ফসল হওয়ায় শুরুতে সাম্মাম চাষ নিয়ে তাদের মধ্যে অনিশ্চয়তা ছিল। চাষপদ্ধতি, উৎপাদন খরচ ও বাজারে চাহিদা নিয়ে নানা প্রশ্ন থাকলেও সম্ভাবনার কথা ভেবে তারা ঝুঁকি নেন।প্রথমবারের চাষেই ভালো ফলন পাওয়ায় এখন আশাবাদী তারা।
প্রথম বার হিসেবে ৩ হেক্টর জমিতে চাষ করেছেন,নতুন এই দুই উদ্যোক্তার হিসাব অনুযায়ী, প্রতি কানি জমিতে সাম্মাম চাষে খরচ হয়েছে প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ হাজার টাকা। ইতিমধ্যে প্রতি কানি জমির উৎপাদিত প্রায় ৬০ হাজার টাকার ফল বিক্রি করেছেন তারা। এখনো জমিতে বিক্রির উপযোগী সাম্মাম রয়েছে বলে জানান উদ্যোক্তারা।
তিন হেক্টর জমিতে নতুন এই ফল চাষ করতে গিয়ে কৃষি বিভাগের পরামর্শ ও সহযোগিতা নিয়েছেন তারা। উৎপাদন ও বাজার সম্প্রসারণের সম্ভাবনার পাশাপাশি সাম্মামের চাহিদা বাড়তে থাকায় নতুন করে আশাবাদী হয়ে উঠেছেন নতুন এই দুই উদ্যোক্তা।
তাদের আশা, স্থানীয়ভাবে সাম্মাম চাষ ছড়িয়ে পড়লে কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হবে।
সাম্মাম মূলত তরমুজজাতীয় মিষ্টি ফল। এটি রকমেলন বা সুইটমেলন নামেও পরিচিত। দেশের বিভিন্ন এলাকায় ইতিমধ্যে এই ফলের চাষ শুরু হয়েছে। কোথাও কৃষকেরা নতুন ফসল হিসেবে সাম্মাম চাষ করে বাজারজাত করছেন। তবে ফটিকছড়ির মতো এলাকায় প্রথম এই ফলের চাষ স্থানীয় কৃষিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
উপজেলার নাজিরহাট বাজারে ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি সাম্মাম বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা দরে। স্থানীয় বিক্রেতা হারেছ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, সাম্মামের প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ বাড়ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও নতুন এই ফলের চাহিদা তৈরি হয়েছে। ফলে বাজারে সাম্মাম বিক্রির সম্ভাবনাও বাড়ছে।
ক্রেতা বায়েজিদ হাসান মুরাদ বলেন, সাম্মাম বেশ সুস্বাদু ও মজাদার ফল। দেশীয় পুঠি বা বাঙ্কি ফলের মতোই এর স্বাদ তার কাছে ভালো লেগেছে।
ফটিকছড়ি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু সালেক বলেন, সাম্মাম চাষের পদ্ধতি, উৎপাদন ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা বিবেচনায় ফটিকছড়ির পরিবেশে এই ফলের চাষ আশাব্যঞ্জক।
নতুন ফসল চাষে রোকন উদ্দিন কাসেমি ও মামুনের উদ্যোগ স্থানীয় অন্য কৃষকদেরও উৎসাহিত করতে পারে। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে নতুন ফসলের চাষে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
স্থানীয়রা বলেন,প্রচলিত ফসলের বাইরে গিয়ে নতুন ফল চাষের এই উদ্যোগ শুধু দুই উদ্যোক্তার সাফল্য নয়, স্থানীয় কৃষিতেও নতুন সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫-২০২৬
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jp-a0fe48ef3a144dc0fce3