1. admin@dainikchattogrameralo.com : admin : Mafizur Rahman
বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ০১:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নিরাপদ খাদ্য ও পুষ্টি নিশ্চিতকরণে ফটিকছড়িতে পার্টনার ফিল্ড স্কুলের সাফল্য চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়নের লক্ষ্যে একসাথে ১০টি প্রকল্প গ্রহণ করেছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ–সিডিএ। আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করেন সিএমপি কমিশনার ফটিকছড়িতে টিকাদান জোরদার, হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে আশাবাদ সৈয়দ গোলামুর রহমান মাইজভান্ডারীর ৯০তম বার্ষিক ওরশ শরীফ উদযাপিত । উত্তর ফটিকছড়ি উপজেলা গঠন ইস্যুতে জনসমাবেশ, অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ চট্টগ্রাম নগরীর উন্নয়ন ও আসন্ন বর্ষায় জনদুর্ভোগ কমাতে বিএনপির তৃণমূল নেতাদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান চসিক মেয়র চন্দনাইশে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি এবং স্বাধীনতার ইতিহাস বিকৃতির করায় অলি আহমদের বিরুদ্ধে ঝাড়ু মিছিল করেছে উপজেলা বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠন। প্রধানমন্ত্রীকে খোলা চিঠিতে লিখে বলেছেন আপনি পারবেন বলেছেন-জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য এবং সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী শিশির মনির সিঙ্গাপুর থেকে ২৭ হাজার ৩০০ টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়েছে জাহাজ
নোটিশ:
সম্মানিত ভিজিটর আমাদের ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম...

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে চাঁদাবাজি বেড়েছে বিশ থেকে পঞ্চাশ শতাংশ

রিপোটারের নাম
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৪৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে চাঁদাবাজি বেড়েছে বিশ থেকে পঞ্চাশ শতাংশ

বিশেষ প্রতিনিধি:
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে দেশে ২০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত চাঁদাবাজি বেড়েছে বলে জানিয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি তাসকীন আহমেদ।
আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর মতিঝিলে ঢাকা চেম্বার অডিটোরিয়ামে ডিসিসিআই আয়োজিত ‘বিদ্যমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় নতুন সরকারের কাছে ঢাকা চেম্বারের প্রত্যাশা’ বিষয়ক এক সংবাদ সম্মেলনে ডিসিসিআই সভাপতি এসব কথা বলেন।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় দেশে চাঁদাবাজি বেড়ে যাওয়ার তথ্য তুলে ধরে ডিসিসিআই সভাপতি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার পতনের আগে যে হারে চাঁদা দিতে হতো, ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট থেকে একই হারে চাঁদা দিতে হয়েছে। তবে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশে ২০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত চাঁদাবাজি বেড়েছে।
চাঁদাবাজি কারা করছে—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ক্ষমতাসীন দলের লোকজন, পুলিশ ও রাজস্ব কর্মকর্তাসহ অনেকেই চাঁদাবাজি করেন। কারা চাঁদাবাজি করছে, সেটা সরকারকে বের করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, তারা এসে বলে, আমরা সরকারি দলের লোক। যখনই যে সরকার আসে, তখনই বলে আমরা সরকারি দলের লোক; আমাদের চাঁদা দিতে হবে। আমাদের এই অনুষ্ঠান আছে, পাড়ার এই চাঁদা দিতে হবে।
‘চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি আমাদের রক্তে মিশে গেছে। চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে আমরা ব্যবসা বন্ধ করে চলে যাবো’—বলেন ডিসিসিআই সভাপতি।
তিনি বলেন, কারখানায় ঢুকতেও চাঁদা দিতে হয়। অফিস ও রাস্তায় চাঁদা দিতে হয়। চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধে আমরা নতুন সরকারের কাছ থেকে কড়া বার্তা প্রত্যাশা করছি।
তাসকীন আহমেদ বলেন, ব্যবসায়ী মহল চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে। জনগণও চাঁদাবাজি চায় না। চাঁদাবাজিতে বাধা দিতে গিয়ে গোলাগুলিও হচ্ছে। জনগণ চাচ্ছে এই সরকার যেন চাঁদাবাজি বন্ধ করে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫-২০২৬
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jp-a0fe48ef3a144dc0fce3