শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফটিকছড়িতে সরকারি সহায়তায় বদলে যাচ্ছে অসহায় মানুষের জীবন, হুইল চেয়ার পেয়ে আবেগাপ্লুত মা। ফটিকছড়ির কাজীরহাটে জ্বালানি ও গোলকাঠসহ চাঁন্দের গাড়ি জব্দ, বন আইনে দুই মামলা। শিক্ষার উন্নয়নে সারা দেশে স্কুল-কলেজের ভবন নির্মাণ করবে সরকার : ফটিকছড়িতে সাংসদ সরোয়ার আলমগীর। ফটিকছিড়িতে পাহাড়ে খড়ের গাদার পাশ থেকে ২টি বন্দুক উদ্ধার ফটিকছড়িতে দুর্গোৎসব ঘিরে প্রস্তুতি, মহালয়ার অনুষ্ঠানে সম্প্রীতির আহ্বান ফোনে এক মাসের সম্পর্ক, বাড়ি ছাড়ার ১৫ দিনের মাথায় কিশোরীর মৃত্যু অচিরেই ফটিকছড়িকে মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত ঘোষণা করা হবে: সাংসদ সরোয়ার আলমগীর অনলাইনে তথ্যহীন ফটিকছড়ি থানা, নেই নিয়মিত কার্যক্রমের খবর। অপরাধ দমনে সাফল্য, চট্টগ্রাম জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি ফটিকছড়ির রবিউল আলম খান মরুর ফলন ফটিকছড়ির মাটিতে, সাম্মাম চাষে বাজিমাত দুই উদ্যোক্তার
নোটিশ:
সম্মানিত ভিজিটর আমাদের ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম...

চট্টগ্রাম কারাগারে বন্দীদের সাথে স্বজনদের কথা বলার জন্য চালু হচ্ছে ইন্টারকম সুবিধা

রিপোটারের নাম
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৩১৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম কারাগারে বন্দীদের সাথে স্বজনদের কথা বলার জন্য চালু হচ্ছে ইন্টারকম সুবিধা

নিজস্ব প্রতিবেদক :
চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দীদের সঙ্গে স্বজনদের সাক্ষাৎ আরও মানবিক ও সহজ করতে প্রথমবারের মতো ইন্টারকম টেলিফোন সুবিধা চালু করা হচ্ছে। দীর্ঘদিনের কোলাহলপূর্ণ ও অস্বস্তিকর সাক্ষাৎ ব্যবস্থার পরিবর্তে কাঁচের দেয়ালের দুই পাশে বসে নিরিবিলি পরিবেশে কথা বলার সুযোগ মিলবে বন্দীদের।
সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, ২ হাজার ২৪৯ বন্দীর ধারণক্ষমতার এই কারাগারে প্রতিদিন গড়ে ৬ হাজারের বেশি বন্দী থাকেন। অতিরিক্ত বন্দীর চাপের কারণে সাক্ষাৎ কক্ষে চিৎকার করে কথা বলতে হয়, যা মানবিকভাবে কষ্টকর। এই ভোগান্তি কমাতে বেসরকারি সংস্থা আলহাজ শামসুল হক ফাউন্ডেশন-এর অর্থায়নে পাইলট প্রকল্প হিসেবে ইন্টারকম ব্যবস্থা স্থাপন করা হচ্ছে,প্রাথমিকভাবে ৩২টি ইন্টারকম সেট বসানো হবে, যাতে একসঙ্গে ১৬ জন বন্দী কথা বলতে পারবেন। এর মধ্যে পুরুষ বন্দীদের জন্য ১২টি এবং নারী বন্দীদের জন্য ৪টি বুথ থাকবে। সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হলে আগামী সপ্তাহে প্রকল্পটির উদ্বোধন করবেন জেলা প্রশাসক। উদ্বোধনের কয়েক দিনের মধ্যেই সেবাটি চালু হবে বলে জানানো হয়েছে।
বেসরকারি কারা পরিদর্শক ও ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মু. নাছির উদ্দিন বলেন, পুরোনো ব্যবস্থায় লোহার জালের দুই পাশে দাঁড়িয়ে চিৎকার করে কথা বলতে হতো, ফলে জরুরি কথাও স্পষ্টভাবে বলা যেত না। নতুন ইন্টারকম ব্যবস্থায় বন্দীদের মানসিক স্বস্তি বাড়বে এবং সাক্ষাৎ হবে আরও ফলপ্রসূ,কারাগারের সিনিয়র জেলা সুপার মো. ইকবাল হোসেন বলেন, ঊর্ধ্বতন কারা কর্তৃপক্ষের অনুমোদনেই ইন্টারকম সিস্টেম স্থাপন করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম বিভাগের কারা উপ-মহাপরিদর্শক মো. ছগির মিয়া বলেন, পাইলট প্রকল্পটি সফল হলে দেশের অন্যান্য কারাগারেও এই সেবা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে,উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে ‘স্বজন’ প্রকল্পের আওতায় সীমিত পরিসরে বন্দীদের ফোনে কথা বলার সুযোগ চালু হয়েছিল। তবে সাক্ষাৎ কক্ষে সরাসরি ইন্টারকম ব্যবহারের এই উদ্যোগ বন্দীদের সামাজিক ও পারিবারিক বন্ধন বজায় রাখতে আরও কার্যকর হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫-২০২৬
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jp-a0fe48ef3a144dc0fce3