শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফটিকছড়িতে সরকারি সহায়তায় বদলে যাচ্ছে অসহায় মানুষের জীবন, হুইল চেয়ার পেয়ে আবেগাপ্লুত মা। ফটিকছড়ির কাজীরহাটে জ্বালানি ও গোলকাঠসহ চাঁন্দের গাড়ি জব্দ, বন আইনে দুই মামলা। শিক্ষার উন্নয়নে সারা দেশে স্কুল-কলেজের ভবন নির্মাণ করবে সরকার : ফটিকছড়িতে সাংসদ সরোয়ার আলমগীর। ফটিকছিড়িতে পাহাড়ে খড়ের গাদার পাশ থেকে ২টি বন্দুক উদ্ধার ফটিকছড়িতে দুর্গোৎসব ঘিরে প্রস্তুতি, মহালয়ার অনুষ্ঠানে সম্প্রীতির আহ্বান ফোনে এক মাসের সম্পর্ক, বাড়ি ছাড়ার ১৫ দিনের মাথায় কিশোরীর মৃত্যু অচিরেই ফটিকছড়িকে মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত ঘোষণা করা হবে: সাংসদ সরোয়ার আলমগীর অনলাইনে তথ্যহীন ফটিকছড়ি থানা, নেই নিয়মিত কার্যক্রমের খবর। অপরাধ দমনে সাফল্য, চট্টগ্রাম জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি ফটিকছড়ির রবিউল আলম খান মরুর ফলন ফটিকছড়ির মাটিতে, সাম্মাম চাষে বাজিমাত দুই উদ্যোক্তার
নোটিশ:
সম্মানিত ভিজিটর আমাদের ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম...

প্রকৃত ঘটনা আড়ালে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ

রিপোটারের নাম
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৬৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

প্রকৃত ঘটনা আড়ালে ইউপি চেয়ারম্যানের
বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি, ফটিকছড়ি
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলা প্রশাসনের অভিযান শেষে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. ইকবাল হোসেন চৌধুরীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে চেয়ারম্যান দাবি করছেন, ইটভাটা উচ্ছেদের প্রকৃত ঘটনা আড়াল করতে এই মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে। নাজিরহাট-কাজীরহাট সড়ক সংলগ্ন হারুয়ালছড়ি গ্রামের বিস্তীর্ণ ফসলি জমিতে ২০১৮ সালে কিছু ব্যবসায়ী একটি ইটভাটা স্থাপনের চেষ্টা করেন। স্থানীয়দের প্রতিবাদ ও পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) দায়ের করা মামলার কারণে তখন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। সম্প্রতি ক্ষমতার পরিবর্তনের পর ইটভাটা পুনরায় চালুর চেষ্টা করেন মালিক মো. শফিউল আলম। উপজেলা প্রশাসন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে একাধিকবার ভাটা বন্ধ করলেও সর্বশেষ ১১ ফেব্রুয়ারি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহীমের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউপি চেয়ারম্যান মো. ইকবাল হোসেন চৌধুরী। মালিক মো. শফিউল আলম চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়ের করা মামলায় অভিযোগ করেন, ১১ ও ১৫ ফেব্রুয়ারি আসামিরা তার ইটভাটায় এসে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয় এবং ইটভাটার যন্ত্রপাতি ভাঙচুর করে প্রায় ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি করা হয়। মামলায় চেয়ারম্যানকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এছাড়া আলাউদ্দিনসহ ২-৩ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকেও আসামি করা হয়েছে। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে ভুজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)কে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। উপজেলা পরিবেশ সাংবাদিক সমিতির সভাপতি সোলায়মান আকাশ বলেন, “পরিবেশ প্রশাসনের একাধিক অভিযান ও উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞার পরও ভাটা চালুর চেষ্টা আইনকে অবজ্ঞা করা।” অপরদিকে এক স্থানীয় শিক্ষক বলেন, “পরিবেশবিরোধী প্রকল্পের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার পরই চাঁদাবাজির অভিযোগটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কি না, তা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে খুঁজে বের করতে হবে।” মো. ইকবাল হোসেন চৌধুরী জানান, “ইউএনও ও প্রশাসনের অভিযান চলাকালীন সেখানে উপস্থিত থাকাই আমার অপরাধ হিসেবে দেখানো হচ্ছে। জীবনের বিনিময়ে হলেও এলাকায় অন্যায় চলতে দেওয়া হবে না এবং স্থানীয় জনগণ এই মিথ্যা মামলা বিশ্বাস করে না।”

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫-২০২৬
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jp-a0fe48ef3a144dc0fce3