1. admin@dainikchattogrameralo.com : admin : Mafizur Rahman
বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়নের লক্ষ্যে একসাথে ১০টি প্রকল্প গ্রহণ করেছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ–সিডিএ। আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করেন সিএমপি কমিশনার ফটিকছড়িতে টিকাদান জোরদার, হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে আশাবাদ সৈয়দ গোলামুর রহমান মাইজভান্ডারীর ৯০তম বার্ষিক ওরশ শরীফ উদযাপিত । উত্তর ফটিকছড়ি উপজেলা গঠন ইস্যুতে জনসমাবেশ, অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ চট্টগ্রাম নগরীর উন্নয়ন ও আসন্ন বর্ষায় জনদুর্ভোগ কমাতে বিএনপির তৃণমূল নেতাদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান চসিক মেয়র চন্দনাইশে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি এবং স্বাধীনতার ইতিহাস বিকৃতির করায় অলি আহমদের বিরুদ্ধে ঝাড়ু মিছিল করেছে উপজেলা বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠন। প্রধানমন্ত্রীকে খোলা চিঠিতে লিখে বলেছেন আপনি পারবেন বলেছেন-জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য এবং সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী শিশির মনির সিঙ্গাপুর থেকে ২৭ হাজার ৩০০ টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়েছে জাহাজ সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে যাত্রীবাহী বাসের চাকা ফেটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আইল্যান্ড ও ওভারব্রিজের সঙ্গে ধাক্কা লেগে নিহত ৩
নোটিশ:
সম্মানিত ভিজিটর আমাদের ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম...

ফটিকছড়িতে তরমুজের বাম্পার ফলন, এবার ভোগের পালা

রিপোটারের নাম
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

ফটিকছড়িতে তরমুজের বাম্পার ফলন,
এবার ভোগের পালা

নিজস্ব প্রতিনিধি, ফটিকছড়ি
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার উর্বর মাটিতে চার মাস ধরে তরমুজ চাষের পরিচর্যার পর এবার ফসল ঘরে তোলার সময়। এ বছর উপজেলার মোট ৪৭ হেক্টর জমিতে তরমুজের চাষ করা হয়েছে, যা গত বছরের ২৭ হেক্টরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। কৃষকেরা আশাবাদী, এই বাম্পার ফলন স্থানীয় বাজারে তরমুজের সরবরাহ বাড়াবে এবং আয়ের উৎস হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কৃষকেরা জানিয়েছেন, এ বছর ট্রপিল, বাংলালিংক, গ্রামীণ গ্লোরি, পাকিজা এবং আহবাওয়া জাতের তরমুজের চাষ করা হয়েছে। ভালো পরিচর্যা ও আবহাওয়া অনুকুলে থাকায়, প্রতি হেক্টর ৪০-৪৫ টন ফলন আশা করা হচ্ছে। রোসাংগিরী গ্রামের কৃষক মোহাম্মদ বেলাল বলেন, “মাটির উর্বরতা, সময়মতো সেচ ও সার ব্যবহার, এবং নিয়মিত যত্নের ফলে এবার আমরা প্রচুর তরমুজের আশা করছি। আশা করছি, বাজারে মানসম্পন্ন ও মিষ্টি তরমুজ সরবরাহ করতে পারব।” গত কয়েক বছরে ফটিকছড়ি অঞ্চলে তরমুজ চাষের প্রতি কৃষকের আগ্রহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ফটিকছড়ি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু সালেক জানিয়েছেন, “মাটির উর্বরতা, পর্যাপ্ত জলবায়ু এবং উন্নত জাতের বীজ ব্যবহারের কারণে এই অঞ্চলে তরমুজ চাষ দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ ধরনের সফল চাষ কৃষকের আয় বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।” এই বাম্পার ফলন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও খুচরা বাজারেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। বাজারে প্রচুর পরিমাণ তরমুজ সরবরাহ হলে স্থানীয় ক্রেতারা সুলভ মূল্যে মিষ্টি ও রসালো তরমুজ ভোগ করতে পারবে। কৃষকরা জানিয়েছেন, বাম্পার ফলন ধরে রাখতে নিয়মিত সেচ, সার ও কীটনাশক প্রয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফসলের গুণমান ও আকারের দিক থেকে এই বছর চাষীরা সন্তুষ্ট। তারা আশা করছেন, আগামী বছর আরও আধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নত বীজ ব্যবহার করে ফলনের পরিমাণ আরও বাড়ানো সম্ভব হবে। ফটিকছড়িতে এ ধরনের সফল চাষ প্রমাণ করে যে, স্থানীয় কৃষি সম্ভাবনাময় এবং সঠিক পরিচর্যা ও পরিকল্পনার মাধ্যমে চাষীরা ভালো ফলন ও অর্থনৈতিক লাভ অর্জন করতে পারেন।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫-২০২৬
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jp-a0fe48ef3a144dc0fce3