শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফটিকছড়িতে সরকারি সহায়তায় বদলে যাচ্ছে অসহায় মানুষের জীবন, হুইল চেয়ার পেয়ে আবেগাপ্লুত মা। ফটিকছড়ির কাজীরহাটে জ্বালানি ও গোলকাঠসহ চাঁন্দের গাড়ি জব্দ, বন আইনে দুই মামলা। শিক্ষার উন্নয়নে সারা দেশে স্কুল-কলেজের ভবন নির্মাণ করবে সরকার : ফটিকছড়িতে সাংসদ সরোয়ার আলমগীর। ফটিকছিড়িতে পাহাড়ে খড়ের গাদার পাশ থেকে ২টি বন্দুক উদ্ধার ফটিকছড়িতে দুর্গোৎসব ঘিরে প্রস্তুতি, মহালয়ার অনুষ্ঠানে সম্প্রীতির আহ্বান ফোনে এক মাসের সম্পর্ক, বাড়ি ছাড়ার ১৫ দিনের মাথায় কিশোরীর মৃত্যু অচিরেই ফটিকছড়িকে মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত ঘোষণা করা হবে: সাংসদ সরোয়ার আলমগীর অনলাইনে তথ্যহীন ফটিকছড়ি থানা, নেই নিয়মিত কার্যক্রমের খবর। অপরাধ দমনে সাফল্য, চট্টগ্রাম জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি ফটিকছড়ির রবিউল আলম খান মরুর ফলন ফটিকছড়ির মাটিতে, সাম্মাম চাষে বাজিমাত দুই উদ্যোক্তার
নোটিশ:
সম্মানিত ভিজিটর আমাদের ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম...

হাসনাত আবদুল্লাহর চট্টগ্রাম সফর ঘিরে অবস্থান পরিষ্কার করেছেন: মনজুর আলম

রিপোটারের নাম
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৩৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

হাসনাত আবদুল্লাহর চট্টগ্রাম সফর ঘিরে অবস্থান পরিষ্কার করেছেন: মনজুর আলম

বিশেষ প্রতিনিধি: নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণ অঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ চট্টগ্রামে সফর ও সাবেক মেয়র মনজুর আলমের বাসায় যাওয়া নিয়ে জাতীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে তৈরি হয়েছে নানা জল্পনা-কল্পনা। বিষয়টি নিয়ে এবার নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন মনজুর আলম।
মনজুর আলম বলেছেন, হাসনাত আবদুল্লাহ আগে থেকে ফোন করে তাঁর বাসায় আসছেন বলেন। দুপুরের খাবার শেষে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট, যুদ্ধ এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক সংকট নিয়ে সাধারণ আলোচনা হয়।
তবে ব্যক্তিগতভাবে কোনো রাজনৈতিক প্রস্তাব দেওয়া হয়নি।
তিনি আরও বলেন, ওই সময় এলাকার কিছু ছেলে বাইরে জড়ো হয়েছিল, স্লোগানও দিয়েছে।
প্রথমে বিষয়টি তিনি গুরুত্ব দেননি। পরে বিষয়টি হাসনাত আবদুল্লাহর কানে গেলে তিনি স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলেন।
পরে তিনি নিজেই বাইরে গিয়ে ছেলেদের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের বোঝান, শান্ত করেন।
মেয়র নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, মেয়র নির্বাচনের এখনো তফসিল হয়নি, কোনো তারিখও নির্ধারণ হয়নি। তাই এখনই নির্বাচন করবো কি-না, তা বলার সুযোগ নেই। মেয়র নির্বাচন ছোট বিষয় না। ৪১টি ওয়ার্ড, ৭০-৮০ লাখ মানুষ, ১৮-২০ লাখ ভোটার। এই দায়িত্ব নিতে হলে প্রস্তুতি লাগে। আমি তো সেরকম কোনো প্রস্তুতি নিইনি।
২০১৫ সালে নির্বাচন বর্জনের দিনই তিনি রাজনীতি থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছিলেন উল্লেখ করে বিএনপির এ সাবেক মেয়র বলেন, এরপর আর কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত হইনি। এখন সমাজসেবা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও জনকল্যাণমূলক কাজ নিয়েই আছি। বিএনপিতে আমার পদ-পদবি ছিল। সদস্য ছিলাম, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদেও দায়িত্ব পালন করেছি। তবে আওয়ামী লীগে কোনো পদ ছিল না। যদিও আমার বাবা ও পরিবারের সদস্যরা আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি তাঁর গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা রয়েছে। তিনি মেয়র থাকাকালে তাঁর আশীর্বাদ পেয়েছেন। তাঁর মৃত্যু পরবর্তী সময়ে দোয়া মাহফিল, খতমে কোরআন, ইফতার আয়োজন করেছেন। পাশাপাশি তাঁর নামে স্কুল, মসজিদ ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানও করেছেন।
বর্তমান মেয়র প্রসঙ্গে তিনি বলেন, উনি আমার দৃষ্টিতে ভালো মানুষ। উনি এখন দায়িত্ব পালন করছেন। দল চাইলে উনাকেই আবার মনোনয়ন দিতে পারে।
তিনি আরও মন্তব্য করে বলেন,
তবে ভবিষ্যতে কী হবে, তা সময়ই বলে দেবে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫-২০২৬
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jp-a0fe48ef3a144dc0fce3