শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফটিকছড়িতে সরকারি সহায়তায় বদলে যাচ্ছে অসহায় মানুষের জীবন, হুইল চেয়ার পেয়ে আবেগাপ্লুত মা। ফটিকছড়ির কাজীরহাটে জ্বালানি ও গোলকাঠসহ চাঁন্দের গাড়ি জব্দ, বন আইনে দুই মামলা। শিক্ষার উন্নয়নে সারা দেশে স্কুল-কলেজের ভবন নির্মাণ করবে সরকার : ফটিকছড়িতে সাংসদ সরোয়ার আলমগীর। ফটিকছিড়িতে পাহাড়ে খড়ের গাদার পাশ থেকে ২টি বন্দুক উদ্ধার ফটিকছড়িতে দুর্গোৎসব ঘিরে প্রস্তুতি, মহালয়ার অনুষ্ঠানে সম্প্রীতির আহ্বান ফোনে এক মাসের সম্পর্ক, বাড়ি ছাড়ার ১৫ দিনের মাথায় কিশোরীর মৃত্যু অচিরেই ফটিকছড়িকে মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত ঘোষণা করা হবে: সাংসদ সরোয়ার আলমগীর অনলাইনে তথ্যহীন ফটিকছড়ি থানা, নেই নিয়মিত কার্যক্রমের খবর। অপরাধ দমনে সাফল্য, চট্টগ্রাম জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি ফটিকছড়ির রবিউল আলম খান মরুর ফলন ফটিকছড়ির মাটিতে, সাম্মাম চাষে বাজিমাত দুই উদ্যোক্তার
নোটিশ:
সম্মানিত ভিজিটর আমাদের ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম...

বাংলাদেশের ইতিহাসে বর্তমানে সবচেয়ে এপ্রিল ও মে মাসের জন্য দেশে পূর্ণ বেশি জ্বালানি মজুত রয়েছে; চট্টগ্রামে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

রিপোটারের নাম
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৫২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের ইতিহাসে বর্তমানে সবচেয়ে এপ্রিল ও মে মাসের জন্য দেশে পূর্ণ বেশি জ্বালানি মজুত রয়েছে; চট্টগ্রামে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত
নিজস্ব প্রতিনিধি: শুক্রবার ১৭ই এপ্রিল চট্টগ্রামে ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন,প্রতিমন্ত্রী জানান,এপ্রিল ও মে মাসের জন্য দেশে পূর্ণ মজুত রয়েছে। বর্তমানে জুন মাসের চাহিদা মাথায় রেখে জ্বালানির পর্যাপ্ত মজুত নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে। জ্বালানি চাহিদা নিরবচ্ছিন্ন রাখতে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে,পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে বর্তমানে সর্বোচ্চ জ্বালানি মজুত রয়েছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার বিকল্প উৎস থেকে পরিশোধিত ও অপরিশোধিত জ্বালানি আমদানির চেষ্টা করছে।
পরিশোধিত জ্বালানি তেল সরবরাহও বাড়ানো হচ্ছে জানিয়ে তিনি আরো বলেন, ইস্টার্ন রিফাইনারির জন্য মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে বিকল্প উৎসে অপরিশোধিত জ্বালানি আমদানির উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।
জ্বালানির বর্তমান পরিস্থিতিতে কৃষি ও শিল্প খাতকে প্রাধান্য দিয়ে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম।
এর আগে গত ১৫ই এপ্রিল জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশে অকটেন এবং পেট্রোলের যে মজুত আছে তাতে আগামী দুই মাসেও কোনো সমস্যা হবে না। দেশে ডিজেল রয়েছে ১ লাখ ১৩ হাজার ৮৫ টন, অকটেন রয়েছে ৩১ হাজার ৮২১ টন। পেট্রোল রয়েছে ১৮ হাজার ২১ টন ও ফার্নেস ওয়েল রয়েছে ৭৭ হাজার ৫৪৬ টন।
মূলত মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর দেশে জ্বালানি তেলের চাহিদা বেড়ে গেছে। মানুষ ফিলিং স্টেশনে ভিড় করতে শুরু করে। এ ভিড় প্রতিদিন বাড়ছে। পেট্রলপাম্পের মালিকেরা বলছেন, মূলত অকটেন ও পেট্রলের জন্যই সারা দেশে এমন তেলের লাইন।
২৮শে ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা শুরু হলেই তেল নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। মার্চের শুরুতে পেট্রল ও অকটেনের বিক্রি প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যায়। এরপর মজুত ধরে রাখতে সরকার রেশনিং শুরু করে। কয়েক দিন পর রেশনিং তুলে নিলেও বাজারে সরবরাহ করা হচ্ছে গত বছরের বিক্রির সঙ্গে মিল রেখে।দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি জ্বালানি মজুত রয়েছে : চট্টগ্রামে প্রতিমন্ত্রী
বাংলাদেশের ইতিহাসে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি জ্বালানি মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
শুক্রবার ১৭ই এপ্রিল চট্টগ্রামে ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, এপ্রিল ও মে মাসের জন্য দেশে পূর্ণ মজুত রয়েছে। বর্তমানে জুন মাসের চাহিদা মাথায় রেখে জ্বালানির পর্যাপ্ত মজুত নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে। জ্বালানি চাহিদা নিরবচ্ছিন্ন রাখতে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে।
পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে বর্তমানে সর্বোচ্চ জ্বালানি মজুত রয়েছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার বিকল্প উৎস থেকে পরিশোধিত ও অপরিশোধিত জ্বালানি আমদানির চেষ্টা করছে।
পরিশোধিত জ্বালানি তেল সরবরাহও বাড়ানো হচ্ছে জানিয়ে তিনি আরো বলেন, ইস্টার্ন রিফাইনারির জন্য মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে বিকল্প উৎসে অপরিশোধিত জ্বালানি আমদানির উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।
জ্বালানির বর্তমান পরিস্থিতিতে কৃষি ও শিল্প খাতকে প্রাধান্য দিয়ে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম।
এর আগে গত ১৫ই এপ্রিল জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী জানিয়ে ছিলেন, বাংলাদেশে অকটেন এবং পেট্রোলের যে মজুত আছে তাতে আগামী দুই মাসেও কোনো সমস্যা হবে না। দেশে ডিজেল রয়েছে ১ লাখ ১৩ হাজার ৮৫ টন, অকটেন রয়েছে ৩১ হাজার ৮২১ টন। পেট্রোল রয়েছে ১৮ হাজার ২১ টন ও ফার্নেস ওয়েল রয়েছে ৭৭ হাজার ৫৪৬ টন।
মূলত মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর দেশে জ্বালানি তেলের চাহিদা বেড়ে গেছে। মানুষ ফিলিং স্টেশনে ভিড় করতে শুরু করে। এ ভিড় প্রতিদিন বাড়ছে। পেট্রলপাম্পের মালিকেরা বলছেন, মূলত অকটেন ও পেট্রলের জন্যই সারা দেশে এমন তেলের লাইন।
২৮শে ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা শুরু হলেই তেল নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। মার্চের শুরুতে পেট্রল ও অকটেনের বিক্রি প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যায়। এরপর মজুত ধরে রাখতে সরকার রেশনিং শুরু করে। কয়েক দিন পর রেশনিং তুলে নিলেও গত বছরের বিক্রির সঙ্গে মিল রেখে,বাজারে সরবরাহ করা হচ্ছে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫-২০২৬
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jp-a0fe48ef3a144dc0fce3