বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ফটিকছড়িতে সরকারি সহায়তায় বদলে যাচ্ছে অসহায় মানুষের জীবন, হুইল চেয়ার পেয়ে আবেগাপ্লুত মা। ফটিকছড়ির কাজীরহাটে জ্বালানি ও গোলকাঠসহ চাঁন্দের গাড়ি জব্দ, বন আইনে দুই মামলা। শিক্ষার উন্নয়নে সারা দেশে স্কুল-কলেজের ভবন নির্মাণ করবে সরকার : ফটিকছড়িতে সাংসদ সরোয়ার আলমগীর। ফটিকছিড়িতে পাহাড়ে খড়ের গাদার পাশ থেকে ২টি বন্দুক উদ্ধার ফটিকছড়িতে দুর্গোৎসব ঘিরে প্রস্তুতি, মহালয়ার অনুষ্ঠানে সম্প্রীতির আহ্বান ফোনে এক মাসের সম্পর্ক, বাড়ি ছাড়ার ১৫ দিনের মাথায় কিশোরীর মৃত্যু অচিরেই ফটিকছড়িকে মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত ঘোষণা করা হবে: সাংসদ সরোয়ার আলমগীর অনলাইনে তথ্যহীন ফটিকছড়ি থানা, নেই নিয়মিত কার্যক্রমের খবর। অপরাধ দমনে সাফল্য, চট্টগ্রাম জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি ফটিকছড়ির রবিউল আলম খান মরুর ফলন ফটিকছড়ির মাটিতে, সাম্মাম চাষে বাজিমাত দুই উদ্যোক্তার
নোটিশ:
সম্মানিত ভিজিটর আমাদের ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম...

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে চাঁদাবাজি বেড়েছে বিশ থেকে পঞ্চাশ শতাংশ

রিপোটারের নাম
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৫৫৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে চাঁদাবাজি বেড়েছে বিশ থেকে পঞ্চাশ শতাংশ

বিশেষ প্রতিনিধি:
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে দেশে ২০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত চাঁদাবাজি বেড়েছে বলে জানিয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি তাসকীন আহমেদ।
আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর মতিঝিলে ঢাকা চেম্বার অডিটোরিয়ামে ডিসিসিআই আয়োজিত ‘বিদ্যমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় নতুন সরকারের কাছে ঢাকা চেম্বারের প্রত্যাশা’ বিষয়ক এক সংবাদ সম্মেলনে ডিসিসিআই সভাপতি এসব কথা বলেন।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় দেশে চাঁদাবাজি বেড়ে যাওয়ার তথ্য তুলে ধরে ডিসিসিআই সভাপতি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার পতনের আগে যে হারে চাঁদা দিতে হতো, ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট থেকে একই হারে চাঁদা দিতে হয়েছে। তবে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশে ২০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত চাঁদাবাজি বেড়েছে।
চাঁদাবাজি কারা করছে—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ক্ষমতাসীন দলের লোকজন, পুলিশ ও রাজস্ব কর্মকর্তাসহ অনেকেই চাঁদাবাজি করেন। কারা চাঁদাবাজি করছে, সেটা সরকারকে বের করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, তারা এসে বলে, আমরা সরকারি দলের লোক। যখনই যে সরকার আসে, তখনই বলে আমরা সরকারি দলের লোক; আমাদের চাঁদা দিতে হবে। আমাদের এই অনুষ্ঠান আছে, পাড়ার এই চাঁদা দিতে হবে।
‘চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি আমাদের রক্তে মিশে গেছে। চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে আমরা ব্যবসা বন্ধ করে চলে যাবো’—বলেন ডিসিসিআই সভাপতি।
তিনি বলেন, কারখানায় ঢুকতেও চাঁদা দিতে হয়। অফিস ও রাস্তায় চাঁদা দিতে হয়। চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধে আমরা নতুন সরকারের কাছ থেকে কড়া বার্তা প্রত্যাশা করছি।
তাসকীন আহমেদ বলেন, ব্যবসায়ী মহল চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে। জনগণও চাঁদাবাজি চায় না। চাঁদাবাজিতে বাধা দিতে গিয়ে গোলাগুলিও হচ্ছে। জনগণ চাচ্ছে এই সরকার যেন চাঁদাবাজি বন্ধ করে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫-২০২৬
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jp-a0fe48ef3a144dc0fce3