শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফটিকছড়িতে সরকারি সহায়তায় বদলে যাচ্ছে অসহায় মানুষের জীবন, হুইল চেয়ার পেয়ে আবেগাপ্লুত মা। ফটিকছড়ির কাজীরহাটে জ্বালানি ও গোলকাঠসহ চাঁন্দের গাড়ি জব্দ, বন আইনে দুই মামলা। শিক্ষার উন্নয়নে সারা দেশে স্কুল-কলেজের ভবন নির্মাণ করবে সরকার : ফটিকছড়িতে সাংসদ সরোয়ার আলমগীর। ফটিকছিড়িতে পাহাড়ে খড়ের গাদার পাশ থেকে ২টি বন্দুক উদ্ধার ফটিকছড়িতে দুর্গোৎসব ঘিরে প্রস্তুতি, মহালয়ার অনুষ্ঠানে সম্প্রীতির আহ্বান ফোনে এক মাসের সম্পর্ক, বাড়ি ছাড়ার ১৫ দিনের মাথায় কিশোরীর মৃত্যু অচিরেই ফটিকছড়িকে মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত ঘোষণা করা হবে: সাংসদ সরোয়ার আলমগীর অনলাইনে তথ্যহীন ফটিকছড়ি থানা, নেই নিয়মিত কার্যক্রমের খবর। অপরাধ দমনে সাফল্য, চট্টগ্রাম জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি ফটিকছড়ির রবিউল আলম খান মরুর ফলন ফটিকছড়ির মাটিতে, সাম্মাম চাষে বাজিমাত দুই উদ্যোক্তার
নোটিশ:
সম্মানিত ভিজিটর আমাদের ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম...

পিলখানা ট্র্যাজেডিতে শহীদদের কবরে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

রিপোটারের নাম
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৭০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

পিলখানা ট্র্যাজেডিতে শহীদদের কবরে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

বিশেষ প্রতিনিধি:
পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর বনানীর সামরিক কবরস্থানে শহীদদের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান তারা।
শ্রদ্ধা নিবেদনের পর রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময় সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রীয় সালাম জানায়।
বিউগলে বেজে ওঠে করুণ সুর।
এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন শহীদ পরিবারের সদস্যরা।
পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী।
পরে শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের খোঁজখবর নেন তাঁরা।
২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) সদর দপ্তর পিলখানায় বিপথগামী সদস্যদের হাতে নির্মমভাবে প্রাণ হারান ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন।
নারকীয় ওই হত্যার ঘটনায় করা মামলায় বিডিআরের ১৩৯ জন সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড, ১৮৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ২৮৩ জনকে খালাস দিয়েছেন উচ্চ আদালত। তবে বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলা বিচারিক আদালতে এখনো চলমান।
আসামিপক্ষের আইনজীবীদের অভিযোগ, হত্যা মামলায় খালাস পেলেও প্রায় এক যুগ ধরে দ্বিতীয় মামলায় (বিস্ফোরক মামলা) কারাভোগ করছেন অনেকে। বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় প্রায় ১ হাজার ২০০ সাক্ষীর মধ্যে এখন পর্যন্ত সম্পন্ন হয়েছে ৩০২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫-২০২৬
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jp-a0fe48ef3a144dc0fce3