শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফটিকছড়িতে সরকারি সহায়তায় বদলে যাচ্ছে অসহায় মানুষের জীবন, হুইল চেয়ার পেয়ে আবেগাপ্লুত মা। ফটিকছড়ির কাজীরহাটে জ্বালানি ও গোলকাঠসহ চাঁন্দের গাড়ি জব্দ, বন আইনে দুই মামলা। শিক্ষার উন্নয়নে সারা দেশে স্কুল-কলেজের ভবন নির্মাণ করবে সরকার : ফটিকছড়িতে সাংসদ সরোয়ার আলমগীর। ফটিকছিড়িতে পাহাড়ে খড়ের গাদার পাশ থেকে ২টি বন্দুক উদ্ধার ফটিকছড়িতে দুর্গোৎসব ঘিরে প্রস্তুতি, মহালয়ার অনুষ্ঠানে সম্প্রীতির আহ্বান ফোনে এক মাসের সম্পর্ক, বাড়ি ছাড়ার ১৫ দিনের মাথায় কিশোরীর মৃত্যু অচিরেই ফটিকছড়িকে মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত ঘোষণা করা হবে: সাংসদ সরোয়ার আলমগীর অনলাইনে তথ্যহীন ফটিকছড়ি থানা, নেই নিয়মিত কার্যক্রমের খবর। অপরাধ দমনে সাফল্য, চট্টগ্রাম জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি ফটিকছড়ির রবিউল আলম খান মরুর ফলন ফটিকছড়ির মাটিতে, সাম্মাম চাষে বাজিমাত দুই উদ্যোক্তার
নোটিশ:
সম্মানিত ভিজিটর আমাদের ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম...

শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ নিয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রতিক্রিয়া জানাল ইরান সরকার

রিপোটারের নাম
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৭০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ নিয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রতিক্রিয়া জানাল ইরান সরকার

আন্তজার্তিক ডেক :
ইরানে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ নিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাল সরকার
আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ইরানের বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসগুলো। নতুন সেমিস্টার শুরুর সঙ্গে সঙ্গে দেশজুড়ে শিক্ষার্থীদের সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। এ প্রেক্ষাপটে প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তেহরান।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সরকারপক্ষের মুখপাত্র ফাতেমেহ মোহাজেরানি বলেন, শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদের অধিকার রয়েছে, তবে কিছু সীমারেখা মেনে চলতে হবে।
তার ভাষায়, পবিত্র বিষয় ও জাতীয় পতাকা রাষ্ট্রের ‘রেড লাইন’। ক্ষোভ যত তীব্রই হোক, এ সীমা অতিক্রম করা গ্রহণযোগ্য নয়।
সপ্তাহান্তে নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরুর পর বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাবেশ করেন শিক্ষার্থীরা। সেখানে তারা জানুয়ারিতে চূড়ায় পৌঁছানো দেশব্যাপী আন্দোলনের স্লোগান আবারও উচ্চারণ করেন।
ওই সময় বিক্ষোভ কঠোর দমন-পীড়নের মুখে পড়ে।
টানা তৃতীয় দিনের আন্দোলনের মধ্যে সোমবার তেহরানের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছু শিক্ষার্থীকে ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর প্রবর্তিত ইসলামী প্রজাতন্ত্রের পতাকায় আগুন দিতে দেখা যায়। এ ঘটনার পরই সরকারের পক্ষ থেকে কড়া সতর্কবার্তা আসে।

মোহাজেরানি বলেন, শিক্ষার্থীদের মনে ক্ষোভ ও বেদনা রয়েছে।
তারা এমন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গেছে, যা তাদের আহত ও ক্ষুব্ধ করেছে। এই অনুভূতিকে তিনি ‘বোধগম্য’ বলে উল্লেখ করেন। তবে একই সঙ্গে তিনি শৃঙ্খলা রক্ষার ওপর জোর দেন।
গত ডিসেম্বরে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা ও অর্থনৈতিক চাপকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া অসন্তোষ দ্রুতই বিস্তৃত আন্দোলনে রূপ নেয়। জানুয়ারির ৮ ও ৯ তারিখে তা চরমে পৌঁছে এবং সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইরানের নেতৃত্বের জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেয়। বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, দমন অভিযানে বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্টস নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ) সাত হাজারের বেশি মৃত্যুর তথ্য নথিভুক্ত করেছে এবং জানিয়েছে, প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।
অন্যদিকে, ইরানি কর্তৃপক্ষ তিন হাজারের বেশি মৃত্যুর কথা স্বীকার করলেও তাদের দাবি, সহিংসতার পেছনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সমর্থিত ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড’ ভূমিকা রেখেছে।
বিক্ষোভের সময় সরকার একদিকে আন্দোলনকারীদের অর্থনৈতিক অসন্তোষের বিষয়টি স্বীকারের ইঙ্গিত দিলেও, অন্যদিকে ‘দাঙ্গাবাজদের’ কঠোর ভাষায় সমালোচনা করে আসছে।
মোহাজেরানি জানিয়েছেন, বিক্ষোভের পেছনের কারণ ও সংশ্লিষ্ট উপাদানগুলো খতিয়ে দেখতে একটি তথ্য-অনুসন্ধানী কমিটি কাজ করছে। শিগগিরই তাদের প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫-২০২৬
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jp-a0fe48ef3a144dc0fce3