1. admin@dainikchattogrameralo.com : admin : Mafizur Rahman
শনিবার, ২৩ মে ২০২৬, ০৪:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রীর তৎপরতায় কম্বোডিয়ার স্ক্যাম সেন্টার থেকে মুক্ত নারী দেশে ফিরছেন পটিয়ায় বাস চাপায় দুই মোটর সাইকেল আরোহী নিহত তীব্র গরমে হাঁপিয়ে ওঠা নগরজীবনে ক্ষণিকের স্বস্তি এনে দেয় “কচি তাল” সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরা বন্দর থেকে এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের “এমটি ফসিল” চারবারের শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন: শিক্ষার আলোয় গড়ছেন আগামী প্রজন্ম* চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণ দেশসেরার মুকুটে টানা তিনবার: নেপচুন চা-বাগানের জেসমিন আক্তারের অনন্য কীর্তি আসন্ন ঈদুল আজহা’কে কেন্দ্র করে যাত্রা নিরাপদ করতে এবং জাল নোট কারবারি ও অজ্ঞান পার্টির বিরুদ্ধে কঠোর নজরদারির নির্দেশ: এসপি ফটিকছড়িতে তিন দিনব্যাপী ভূমিসেবা মেলা”২০২৬”শুরু
নোটিশ:
সম্মানিত ভিজিটর আমাদের ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম...

তীব্র গরমে হাঁপিয়ে ওঠা নগরজীবনে ক্ষণিকের স্বস্তি এনে দেয় “কচি তাল”

রিপোটারের নাম
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬
  • ৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

তীব্র গরমে হাঁপিয়ে ওঠা নগরজীবনে ক্ষণিকের স্বস্তি এনে দেয় “কচি তাল”

বিশেয প্রতিনিধি: গ্রীষ্মের দহনজ্বালা যখন চারদিকে ক্লান্তির ছাপ ফেলে, তখন মৌসুমি ফলের ডালা সাজিয়ে আসে কচি তাল। অন্যান্য রসালো ফলের ভিড়ে কিছুটা আড়ালেই থাকলেও, গরমে এর শীতল স্বাদ ও কদর যেন অতুলনীয়।
সহজলভ্যতা এবং তুলনামূলক কম দামের কারণে কচি তাল এখন চট্টগ্রামের নগরজীবনে এক পরিচিত মৌসুমি ফল হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন এলাকা ঘুরলেই চোখে পড়ে ভ্যানগাড়ি, অস্থায়ী দোকান কিংবা সড়কের পাশে স্তূপ করে রাখা কচি তাল।
পাড়া-মহল্লা থেকে শুরু করে অলিগলি পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে এ ফলের বেচাকেনা। নগরের ফলমন্ডি ঘিরে পাইকারি বাজার থেকে তাল সংগ্রহ করে খুচরা বিক্রেতারা শহরের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে দিচ্ছেন।
ফলে সাধারণ মানুষের হাতের নাগালেই থাকছে মৌসুমি এই ফল।
চট্টগ্রামের বাজারে তালের বড় একটি অংশ আসে কুমিল্লা, চাঁদপুর, সাতক্ষীরা এবং উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে।
এর মধ্যে কুমিল্লার তাল বড় আকারের হওয়ায় বেশি আকর্ষণীয় বলে ধরা হয়। চাঁদপুরের তাল মিষ্টতা ও কোমল শাঁসের জন্য ক্রেতাদের পছন্দের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। পাশাপাশি সাতক্ষীরার তালও এখন বাজারে উল্লেখযোগ্য অবস্থান তৈরি করেছে।
তালের দাম নির্ভর করে মূলত আকার, শাঁসের পরিমাণ এবং গুণগত মানের ওপর। বড় আকারের তাল তুলনামূলক বেশি দামে বিক্রি হয়, মাঝারি ও ছোট তাল কম দামে পাওয়া যায়। পাইকারি বাজারে নির্দিষ্ট সংখ্যার স্তূপ ধরে কেনাবেচা হলেও খুচরা পর্যায়ে পরিবহন ও অন্যান্য খরচ যোগ হওয়ায় দাম কিছুটা বেড়ে যায়। তারপরও গরমের মৌসুমে তালকে সাশ্রয়ী ও জনপ্রিয় ফল হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
এই মৌসুমকে ঘিরে শুধু ফলের বাজার নয়, গড়ে উঠছে অস্থায়ী কর্মসংস্থানের সুযোগও। অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী বা ভিন্ন পেশায় যুক্ত মানুষ অতিরিক্ত লাভের আশায় অল্প সময়ের জন্য তালের ব্যবসায় যুক্ত হচ্ছেন। কেউ মাছ বিক্রি, কেউ সবজি বা অন্যান্য ছোটখাটো ব্যবসার পাশাপাশি মৌসুমি ফল বিক্রিতে যুক্ত হয়ে বাড়তি আয়ের পথ খুঁজছেন। এতে নগরের নিম্ন ও মধ্যআয়ের মানুষের জন্য সাময়িক হলেও অর্থনৈতিক স্বস্তি তৈরি হচ্ছে।
বর্তমানে আষাঢ়-শ্রাবণের হাওয়ায় রূপ নেয় পাকা ও সুমিষ্ট তালে। তখন তাল শুধু আর ফল থাকে না, হয়ে ওঠে গ্রামীণ উৎসবের অনুষঙ্গ। কচি শাঁসের জায়গা দখল করে তালের রসে তৈরি রকমারি পিঠা, পায়েস ও বড়া। বাংলার লোকজ সংস্কৃতি ও অর্থনীতিতে এই মৌসুমি ফলটির গুরুত্ব তাই অপরিসীম।
শহুরে কোলাহল আর গরমে ক্লান্ত চট্টগ্রামের মানুষের জন্য এক দারুণ আশীর্বাদ কচি তাল। মৌসুমি ফলের ভিড়ে খুব বেশি প্রচার না পেলেও, সুমিষ্ট ও সতেজ এই ফলের কদর দিন দিন বাড়ছে। একইসঙ্গে এটি অনেক মৌসুমি ব্যবসায়ীর জন্য আয়ের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫-২০২৬
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jp-a0fe48ef3a144dc0fce3