1. admin@dainikchattogrameralo.com : admin : Mafizur Rahman
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের পাঁচ শীর্ষ কর্মকর্তার রদবদল চীন থেকে আমদানিকৃত ৩০ মিলিয়ন ডলারের ৪টি অত্যাধুনিক গ্যান্ট্রি ক্রেন নিয়ে পিসিটিতে (পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল) ভিড়েছে ইতিহাস গড়ার হাফ-সেঞ্চুরির সামনে ব্রাজিল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে গ্রাজুয়েট সিম্পোজিয়াম “২০২৬” আয়োজন ডিজিটাল রূপান্তরের ফলে কর্মক্ষেত্রের কার্যপদ্ধতিতে পরিবর্তন আসছে: চুয়েট ভিসি নবম বেতন স্কেল অবিলম্বে চালুর দাবিতে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সরকারি কর্মচারীরা পটিয়াতে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে চট্টগ্রাম এখন দেশের জন্য এক অনুকরণীয় মডেলে পরিণত হয়েছে: চসিক মেয়র বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন এশিয়ান গ্রুপের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) সাকিফ আহমেদ সালাম সুস্থ কিডনি সুন্দর জীবন সচেতনতাই প্রথম পদক্ষেপ: চট্রগ্রাম জেলা প্রশাসক
নোটিশ:
সম্মানিত ভিজিটর আমাদের ওয়েবসাইটে আপনাকে স্বাগতম...

আনোয়ারা বাঁশখালীতে মনু-মালকা বানুর স্মৃতির মসজিদ

রিপোটারের নাম
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬
  • ২৩১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

আনোয়ারা বাঁশখালীতে মনু-মালকা বানুর স্মৃতির মসজিদ

নিজস্ব প্রতিবেদক :
মালকা বানু ও মনু মিয়ার কাহিনি নিয়ে রচিত হয়েছে লোকগান, পালা, পুঁথি এমনকি চলচ্চিত্রও। তাঁদের নামে তৈরি করা মসজিদ আজও কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে চট্টগ্রামের আনোয়ারা ও বাঁশখালী উপজেলায়।
বাংলার সুবেদার মুঘল সম্রাট শাহজাহানের দ্বিতীয় পুত্র শাহজাদা সুজা’র সেনাপতি ছিলেন শেরমস্ত খাঁ। এই শেরমস্ত খাঁর পুত্র জবরদস্ত খাঁ (মনু মিয়া)।
তিনি কাট্টলীর জমিদার দেওয়ান বদিউজ্জমানের বোন খোরসা বানুকে বিয়ে করেন। নিঃসন্তান হওয়ায় দ্বিতীয় বিয়ে করেন বাঁশখালীর মালকা বানুকে।
আনোয়ারার বারখাইন ইউনিয়নের শোলকাটা গ্রামে মনু মিয়ার বাড়ি। তিনি এই গ্রামে মুঘল আমলের শেষদিকে নির্মাণ করেন একটি মসজিদ, যেটি ‘মনু মিয়া মসজিদ’ নামে পরিচিত।
তবে তিনি প্রথম স্ত্রী খোরসা বানুর নামে এই মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন।
ইতিহাস বলছে, নির্মাণের পর থেকে মসজিদটি দীর্ঘদিন সংস্কারবিহীন অবস্থায় ছিল। ঐতিহ্যের সংরক্ষণ ও সৌন্দর্য বাড়াতে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ ২০১০ সালে মসজিদটিতে টালি সংযোজন ও সংস্কার করে।
২০ ও ৪০ ফুট আয়তনের মসজিদের দেওয়ালজুড়ে এবং ভেতরে-বাইরে ফুটিয়ে তোলা হয় সুন্দর কারুকাজ, মাঝখানে একটি বড় গম্বুজ ও দুইপাশে রয়েছে ছোট আকৃতির কয়েকটি গম্বুজ।
বর্তমানে ফরিদুল হক চৌধুরীর বংশধররা মসজিদ রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনা করছেন।
মনু মিয়া মৃত্যুবরণ করার পর পাশের কাজীর পাহাড় এলাকায় তাঁকে কবর দেওয়া হয়। মনু মিয়ার ২য় শ্বশুরবাড়ি বাঁশখালীর সরল ইউনিয়নে। শ্বশুর আমির মোহাম্মদ চৌধুরী ছিলেন জমিদার।
তাঁর সাত পুত্র ও একমাত্র কন্যা মালকা বানু চৌধুরী।
কন্যাকে বিয়ে দেওয়ার পর নিঃসঙ্গ পিতা মালকা বানুর নামে খনন করেন দিঘি ও একটি মসজিদ। এটি ‘মালকা বানু মসজিদ’ নামে পরিচিত। দিঘিটি বিলুপ্ত হয়ে গেছে, তবে দিঘির পশ্চিম পাশে শত বছরের প্রাচীন মসজিদটি টিকে আছে। মসজিদের পূর্বপাশে দেওয়ালে ফরাসী ভাষায় লেখা একটি ফলক ছিল, যেটি ঘূর্ণিঝড়সহ বিভিন্ন দুর্যোগে নষ্ট হয়ে যায়।
সেখানে লিপিবদ্ধ ছিল-‘মুঘল শাসনামলের শেষদিকে জমিদার আমির মোহাম্মদ চৌধুরী এই মসজিদটি নির্মাণ করেন। তিনি ছিলেন মালকা বানু চৌধুরীর পিতা। মালকা বানু চৌধুরীর ছোট ভাইয়ের বংশধর মরহুম ফৌজুল কবির চৌধুরী ১৯৭৮ সালে (১৩৮৪ বাংলা) মসজিদটি প্রথম সংস্কার করেন। সর্বশেষ চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ ঐতিহ্যের সংরক্ষণ ও এর শ্রীবৃদ্ধিকরণে ২০১০ সালে (১৪১৭ বাংলা) মসজিদটিতে টালি সংযোজন ও সংস্কার করে। বর্তমানে মরহুম ফৌজুল কবির চৌধুরীর বংশধররা মসজিদ রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনা করছেন’।
মালকা বানুও ছিলেন নিঃসন্তান। মনু মিয়ার মৃত্যুর পর তিনি চলে এসেছিলেন বাঁশখালীর সরল গ্রামে বাবার বাড়িতে।
মনু মিয়ার মসজিদ থেকে মুয়াজ্জিনের কণ্ঠে ভেসে আসে কল্যাণের আহ্বান, হাইয়া আলাল ফালাহ- এসো কল্যাণের পথে। কেউ মনু-মালকা বানুর রুহের মাগফেরাত কামনা করে আজও দোয়া চান মহান আল্লাহর দরবারে, দু’হাত তুলে জানান ফরিয়াদ।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫-২০২৬
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jp-a0fe48ef3a144dc0fce3